Click to WhatsApp Us: 01817-660088

বাংলাদেশের সেরা ১০টি ইনডোর প্লান্ট: ঘরকে সবুজ করুন সহজেই

আপনার ঘরকে সবুজ ও প্রাণবন্ত করে তুলতে চান? ইনডোর প্লান্ট বা ঘরের ভেতরে রাখার উপযোগী গাছ এখন বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই গাছগুলো শুধু ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিই করে না, বরং বাতাস বিশুদ্ধ করে এবং মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। এই ব্লগ পোস্টে আমরা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সবচেয়ে ভালো জন্মানো এবং যত্ন নিতে সহজ এমন ১০টি ইনডোর প্লান্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

১. মানি প্লান্ট (Money Plant)

Manjula-Pothos-

মানি প্লান্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইনডোর প্লান্টগুলোর একটি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Epipremnum aureum। এটি অত্যন্ত সহজে যত্ন নেওয়া যায় এবং যেকোনো পরিবেশে টিকে থাকতে পারে।

কেন মানি প্লান্ট রাখবেন:

  • অল্প আলোতেও বেঁচে থাকতে পারে
  • পানি ও মাটি উভয় মাধ্যমেই চাষ করা যায়
  • বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন দেয়
  • ঘরের বায়ু থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ দূর করে

যত্নের টিপস: মানি প্লান্টের জন্য পরোক্ষ সূর্যালোক সবচেয়ে ভালো। সপ্তাহে দুইবার পানি দিলেই যথেষ্ট। মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে পানি দিতে হবে। এটি ঝুলন্ত ঝুড়িতে অথবা সাধারণ টবে রাখা যায়। বছরে একবার জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

২. স্নেক প্লান্ট বা সাপের জিভ (Snake Plant)

Dracaena Trifasciata Black Gold

স্নেক প্লান্ট বা Sansevieria trifasciata বাংলাদেশের আবহাওয়ায় খুবই ভালো হয়। এর পাতা লম্বা এবং সোজা হওয়ায় একে সাপের জিভ বলা হয়। এটি রাতের বেলায়ও অক্সিজেন উৎপাদন করে, যা অন্যান্য গাছের থেকে আলাদা।

স্নেক প্লান্টের বিশেষত্ব:

  • রাতে অক্সিজেন তৈরি করে, তাই বেডরুমে রাখার জন্য আদর্শ
  • খুব কম পানির প্রয়োজন হয়
  • প্রায় যেকোনো আলোতে বেঁচে থাকতে পারে
  • বায়ু বিশুদ্ধকরণে অত্যন্ত কার্যকর

যত্নের টিপস: স্নেক প্লান্ট অতিরিক্ত পানিতে পচে যেতে পারে। তাই মাসে মাত্র দুই থেকে তিনবার পানি দিলেই চলে। শীতকালে আরও কম পানি দিতে হবে। এটি ছায়াযুক্ত জায়গায়ও ভালো জন্মায়। তবে মাঝেমধ্যে পরোক্ষ সূর্যালোক দিলে গাছ আরও সতেজ থাকে।

৩. অ্যালোভেরা (Aloe Vera)

অ্যালোভেরা শুধু একটি সুন্দর ইনডোর প্লান্টই নয়, এর অসংখ্য ঔষধি গুণও রয়েছে। ত্বক ও চুলের যত্নে অ্যালোভেরার জেল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অ্যালোভেরার উপকারিতা:

  • ত্বকের পোড়া, কাটা ও ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে
  • চুল পড়া কমায় এবং চুল ঘন করে
  • বাতাস বিশুদ্ধ করে এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিক শোষণ করে
  • খুব কম যত্নে বেঁচে থাকে

যত্নের টিপস: অ্যালোভেরা রোদ পছন্দ করে, তাই জানালার পাশে রাখুন যেখানে সরাসরি সূর্যালোক পায়। পানি দেওয়ার আগে মাটি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। অতিরিক্ত পানি দিলে শিকড় পচে যেতে পারে। ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পন্ন মাটি ব্যবহার করুন।

৪. পিস লিলি (Peace Lily)

Peace-Lily-laef

পিস লিলি তার সাদা সুন্দর ফুল এবং গাঢ় সবুজ পাতার জন্য বিখ্যাত। এটি নাসার গবেষণায় সেরা বায়ু বিশুদ্ধকারী গাছগুলোর একটি হিসেবে স্থান পেয়েছে।

পিস লিলির বৈশিষ্ট্য:

  • সুন্দর সাদা ফুল ফোটে যা ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়
  • অল্প আলোতেও ভালো জন্মায়
  • ফরমালডিহাইড, বেনজিন ও কার্বন মনোক্সাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাস শোষণ করে
  • ঘরের আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে

যত্নের টিপস: পিস লিলি ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দ করে। মাটি সবসময় সামান্য ভেজা রাখতে হবে, তবে জলাবদ্ধ করা যাবে না। পাতা ঝুলে পড়লে বুঝবেন পানির প্রয়োজন। সপ্তাহে একবার পাতায় পানির স্প্রে করলে গাছ সতেজ থাকে। প্রতি তিন মাসে একবার তরল সার দিলে ভালো ফুল হয়।

৫. স্পাইডার প্লান্ট (Spider Plant)

Spider-Plant

স্পাইডার প্লান্ট বা Chlorophytum comosum একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঝুলন্ত গাছ। এর পাতা লম্বা ও রেখাযুক্ত হয় এবং ছোট ছোট চারা বের হয় যা মাকড়সার মতো ঝুলে থাকে।

স্পাইডার প্লান্টের সুবিধা:

  • নতুন গাছ তৈরি করা খুব সহজ, চারা কেটে মাটিতে রোপণ করলেই হয়
  • বাতাস থেকে কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য দূষক দূর করে
  • পোষা প্রাণীর জন্য নিরাপদ এবং বিষাক্ত নয়
  • দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং খুব কম যত্নে টিকে থাকে

যত্নের টিপস: স্পাইডার প্লান্ট উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো পছন্দ করে। মাটি শুকিয়ে গেলে পানি দিতে হবে। ঝুলন্ত ঝুড়িতে রাখলে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। নতুন চারা বের হলে সেগুলো কেটে নতুন টবে লাগিয়ে আরও গাছ তৈরি করতে পারেন। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে মাসে একবার সার দিন।

৬. রাবার প্লান্ট (Rubber Plant)

রাবার প্লান্ট বা Ficus elastica বড় এবং চকচকে পাতার জন্য পরিচিত। এটি ঘরের কোণায় বা খালি জায়গায় রাখলে দারুণ দেখায়।

রাবার প্লান্টের বিশেষত্ব:

  • বড় ও চকচকে পাতা ঘরকে আকর্ষণীয় করে তোলে
  • বায়ু বিশুদ্ধকরণে অত্যন্ত কার্যকর
  • ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়
  • বাংলাদেশের আবহাওয়ায় খুব ভালো জন্মায়

যত্নের টিপস: রাবার প্লান্ট উজ্জ্বল পরোক্ষ সূর্যালোক পছন্দ করে। সপ্তাহে একবার পানি দিলেই যথেষ্ট। অতিরিক্ত পানি দিলে পাতা হলুদ হয়ে যেতে পারে। মাঝেমধ্যে ভেজা কাপড় দিয়ে পাতা মুছে দিলে ধুলো দূর হয় এবং গাছ সুস্থ থাকে। বসন্তকালে প্রুনিং করলে গাছ ঘন হয়।

৭. জেড প্লান্ট (Jade Plant)

জেড প্লান্ট বা Crassula ovata একটি সাকুলেন্ট জাতীয় গাছ যা সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর পুরু পাতা ও গাছের গঠন খুবই আকর্ষণীয়।

জেড প্লান্টের গুণাবলী:

  • খুব কম পানির প্রয়োজন হয়
  • ছোট টবে অনেক বছর বেঁচে থাকতে পারে
  • ঘরে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে বলে বিশ্বাস করা হয়
  • ছোট গোলাপি বা সাদা ফুল ফোটে

যত্নের টিপস: জেড প্লান্ট রোদ পছন্দ করে, তাই জানালার কাছে রাখুন। মাসে দুই থেকে তিনবার পানি দিলেই চলে। শীতকালে আরও কম পানি দিতে হবে। ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকতে হবে নাহলে শিকড় পচে যাবে। বছরে একবার পাতলা তরল সার দিলে ভালো হয়।

৮. পটোস বা ডেভিলস আইভি (Pothos)

Njoy Pothos Laef

পটোস মানি প্লান্টের মতোই একটি জনপ্রিয় লতানো গাছ। এর পাতা হৃদয় আকৃতির এবং সোনালি বা সাদা ছোপযুক্ত হয়।

পটোসের বৈশিষ্ট্য:

  • অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায়
  • যেকোনো পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে পারে
  • বাতাস থেকে টক্সিন দূর করে
  • লতা কেটে সহজেই নতুন গাছ তৈরি করা যায়

যত্নের টিপস: পটোস মাঝারি থেকে কম আলোতেও ভালো জন্মায়। মাটি শুকিয়ে গেলে পানি দিন। ঝুলন্ত ঝুড়ি বা শেল্ফে রাখলে লতা সুন্দরভাবে ঝুলে থাকে। লতা অনেক লম্বা হয়ে গেলে কেটে দিন এবং সেই কাটিং পানিতে রেখে শিকড় গজালে নতুন টবে লাগান।

৯. ফিলোডেনড্রন (Philodendron)

Philodendron-Birkin

ফিলোডেনড্রন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রপিকাল ইনডোর প্লান্ট যা বাংলাদেশের আবহাওয়ায় দারুণভাবে জন্মায়। এর বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে এবং প্রতিটির পাতার আকার ও রঙ ভিন্ন।

ফিলোডেনড্রনের বিশেষত্ব:

  • হৃদয় আকৃতির বা বড় কাটা পাতা অত্যন্ত আকর্ষণীয়
  • দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ঘন হয়
  • বাতাস থেকে ক্ষতিকারক ফরমালডিহাইড দূর করে
  • ঝুলন্ত বা লতানো উভয় ধরনের জাত পাওয়া যায়

যত্নের টিপস: ফিলোডেনড্রন মাঝারি থেকে কম আলোতেও ভালো বাড়ে। মাটি সামান্য শুকিয়ে গেলে পানি দিন। উচ্চ আর্দ্রতা পছন্দ করে তাই মাঝেমধ্যে পাতায় স্প্রে করুন। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে মাসে একবার সার দিলে গাছ সুস্থ থাকে। লতা অনেক লম্বা হলে কেটে আকার ঠিক রাখতে পারেন।

১০. অ্যাগ্লাওনেমা বা চায়নিজ এভারগ্রিন (Aglaonema)

Aglaonema Lipstick plant by Ongkoor indoor platns in Bangladesh

অ্যাগ্লাওনেমা বা চায়নিজ এভারগ্রিন তার রঙিন ও নকশাদার পাতার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই গাছ বাংলাদেশের ঘরোয়া পরিবেশে খুবই ভালো জন্মায়।

অ্যাগ্লাওনেমার বৈশিষ্ট্য:

  • সবুজ, লাল, গোলাপি ও রূপালি রঙের মিশ্রণে পাতা হয়
  • অত্যন্ত কম আলোতেও টিকে থাকতে পারে
  • বায়ু বিশুদ্ধকরণে দারুণ কার্যকর
  • নতুন চাষিদের জন্য আদর্শ গাছ

যত্নের টিপস: অ্যাগ্লাওনেমা ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দ করে। সপ্তাহে একবার পানি দিলেই চলে। অতিরিক্ত পানি দিলে শিকড় পচে যেতে পারে। উষ্ণ তাপমাত্রা পছন্দ করে তাই এয়ার কন্ডিশনারের সরাসরি বাতাস থেকে দূরে রাখুন। প্রতি দুই মাসে একবার তরল সার দিন। ধুলো পড়লে পাতা মুছে পরিষ্কার রাখুন।

অতিরিক্ত বিশেষ উল্লেখ: ZZ প্লান্ট (ZZ Plant)

ZZ-Plant-জি-জি-প্লান্ট

ZZ প্লান্ট বা Zamioculcas zamiifolia সম্ভবত সবচেয়ে কম যত্নে টিকে থাকা ইনডোর প্লান্টগুলোর একটি। এর চকচকে, গাঢ় সবুজ পাতা যেকোনো ঘরকে মার্জিত করে তোলে।

ZZ প্লান্টের বিশেষত্ব:

  • প্রায় যেকোনো পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে
  • অনেক দিন পানি ছাড়াও টিকে থাকে
  • কম আলো থেকে উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সব জায়গায় ভালো হয়
  • বায়ু থেকে টলুইন, জাইলিন ও বেনজিনের মতো ক্ষতিকারক পদার্থ দূর করে

যত্নের টিপস: ZZ প্লান্টের শিকড় পানি সঞ্চয় করে রাখে, তাই মাসে মাত্র দুইবার পানি দিলেই যথেষ্ট। মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সরাসরি সূর্যালোক এড়িয়ে চলুন কারণ পাতা পুড়ে যেতে পারে। অফিস বা এমন জায়গায় রাখার জন্য আদর্শ যেখানে নিয়মিত যত্ন নেওয়া সম্ভব নয়।

ইনডোর প্লান্ট রাখার সাধারণ টিপস

সঠিক স্থান নির্বাচন: প্রতিটি গাছের আলোর চাহিদা ভিন্ন। কিছু গাছ ছায়া পছন্দ করে, কিছু গাছ সরাসরি সূর্যালোক চায়। আপনার ঘরের কোন জায়গায় কতটুকু আলো পায় তা জেনে সেই অনুযায়ী গাছ বাছাই করুন।

সঠিক পানি প্রদান: অতিরিক্ত পানি দেওয়া ইনডোর প্লান্টের সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ। মাটি শুকিয়ে যাওয়ার পর পানি দিন। টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে যাতে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যেতে পারে।

মাটি ও সার: ভালো মানের পটিং মিক্স ব্যবহার করুন যাতে নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো হয়। বছরে দুই থেকে তিনবার জৈব সার অথবা মাসে একবার তরল সার দিলে গাছ সুস্থ থাকে।

পরিষ্কার রাখা: নিয়মিত পাতা মুছে দিন যাতে ধুলো জমে না থাকে। ধুলো জমলে গাছ সালোকসংশ্লেষণ সঠিকভাবে করতে পারে না।

কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ: মাঝেমধ্যে গাছ পরীক্ষা করুন কীটপতঙ্গ আছে কিনা। নিম তেলের স্প্রে ব্যবহার করে প্রাকৃতিকভাবে কীট দূর করতে পারেন।

কোথা থেকে ইনডোর প্লান্ট কিনবেন?

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন কোথা থেকে এই সুন্দর ইনডোর প্লান্টগুলো কিনবেন? বাংলাদেশে মানসম্পন্ন ইনডোর প্লান্ট কেনার জন্য অংকুর Ongkoor.com একটি বিশ্বস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম।

Ongkoor.com থেকে কেন কিনবেন?

১. বিশাল সংগ্রহ: মানি প্লান্ট, স্নেক প্লান্ট, ফিলোডেনড্রন, অ্যাগ্লাওনেমা, ZZ প্লান্ট সহ সব ধরনের ইনডোর প্লান্ট পাবেন এক জায়গায়।

২. সুস্থ ও তাজা গাছ: প্রতিটি গাছ যত্ন সহকারে চাষ করা এবং সুস্থ অবস্থায় ডেলিভারি দেওয়া হয়।

৩. ঘরে বসে ডেলিভারি: ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সারাদেশে দ্রুত ও নিরাপদ ডেলিভারি সেবা রয়েছে।

৪. সাশ্রয়ী মূল্য: প্রতিযোগিতামূলক দামে সেরা মানের গাছ পাবেন।

৫. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ: গাছের যত্ন নিয়ে যেকোনো সমস্যায় তাদের কাস্টমার সাপোর্ট টিম সাহায্য করবে।

কীভাবে অর্ডার করবেন?

১. Ongkoor.com ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন ২. আপনার পছন্দের ইনডোর প্লান্ট খুঁজে নিন ৩. কার্টে যোগ করুন এবং চেকআউট করুন ৪. ঘরে বসে আপনার সবুজ সঙ্গী পেয়ে যান

বিশেষ অফার: প্রথমবার কেনার জন্য বিশেষ ছাড় এবং প্রতিটি অর্ডারের সাথে ফ্রি কেয়ার গাইড পাবেন। আপনার বাড়ির জন্য পারফেক্ট গাছ খুঁজে নিতে আজই Ongkoor.com ভিজিট করুন!

উপসংহার

ইনডোর প্লান্ট শুধুমাত্র ঘরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং আপনার স্বাস্থ্য ও মানসিক প্রশান্তিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উপরে বর্ণিত গাছগুলো খুবই ভালো জন্মায় এবং যত্ন নিতেও সহজ। আপনি যদি নতুন হন তাহলে মানি প্লান্ট, স্নেক প্লান্ট বা স্পাইডার প্লান্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন।

প্রতিটি গাছের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজন রয়েছে। সঠিক যত্ন নিলে এই গাছগুলো দীর্ঘদিন আপনার ঘরকে সবুজ ও সুন্দর রাখবে। দেরি না করে আজই Ongkoor.com থেকে আপনার প্রিয় ইনডোর প্লান্ট অর্ডার করুন এবং আপনার ঘরে সবুজের ছোঁয়া নিয়ে আসুন।

মনে রাখবেন, একটি সবুজ ঘর মানে একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন। সুস্থ থাকুন, সবুজ থাকুন!

Shopping Cart