Darjeeling Orange দার্জিলিং কমলা —স্বাদে অতুলনীয় এবং ঘ্রাণে অনন্য! এই কমলাটি কেবল একটি ফল নয়, এটি হিমালয়ের সতেজতার এক অনন্য উপহার। পাতলা খোসা আর রসালো মিষ্টি কোয়ার জন্য দার্জিলিং কমলা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। যারা ছাদ বাগান বা বাড়ির আঙিনায় ফলের বাগান করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য কলমের এই দার্জিলিং কমলা চারাটি এক কথায় সেরা পছন্দ।
উদ্ভাবন ও বিশেষত্ব
দার্জিলিং কমলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrus Reticulata) মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং এবং কালিম্পং পাহাড়ে শতাব্দীকাল ধরে চাষ হয়ে আসছে। এই সুস্বাদু জাতটিকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করতে এবং এর মান উন্নয়নে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (ICAR) এবং স্থানীয় কৃষি সংস্থাগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই কমলার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর গাঢ় কমলা রঙ এবং টক-মিষ্টির এক নিখুঁত ব্যালেন্স। অংকুর (Ongkoor.com) বাংলাদেশের জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম এমন উন্নত জাতের কলমের চারা সরবরাহ করছে।
বাংলাদেশে আসল দার্জিলিং কমলা চারা কোথায় পাবেন?
আপনি কি এমন একটি চারা খুঁজছেন যা খুব দ্রুত আপনার বাগানে ফল দিতে শুরু করবে? অংকুর (Ongkoor.com) বাংলাদেশে অত্যন্ত আস্থার সাথে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির দার্জিলিং কমলা চারা সরবরাহ করছে। আমাদের প্রতিটি চারা সুস্থ, সবল এবং মাতৃগাছ থেকে কলম করা, যা টবে বা মাটিতে—উভয় জায়গাতেই চমৎকার ফলন দেয়। আপনার আঙিনায় হিমালয়ের স্বাদ পেতে আজই অংকুর (Ongkoor.com) থেকে আপনার চারাটি অর্ডার করুন।
এই ফলের জনপ্রিয় ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ
দার্জিলিং কমলা তার পুষ্টিগুণ ও স্বাদের জন্য সবখানে জনপ্রিয়:
- ছাদ বাগান ও ড্রাম: এটি কলমের চারা হওয়ায় বড় সাইজের ড্রামে বা হাফ-ব্যারেলে খুব সহজে চাষ করা যায়।
- বাড়ির আঙিনা বা বাগান: শৌখিন বাগানীদের জন্য বাড়ির সামনের ফাঁকা জায়গায় একটি কমলা গাছ থাকা আভিজাত্যের প্রতীক।
- বাণিজ্যিক খামার: বর্তমানে বাংলাদেশের উত্তরের জেলাগুলোতে এবং পার্বত্য এলাকায় বাণিজ্যিক চাষে এই জাতটি বেশ সাফল্য দেখাচ্ছে।
- পুষ্টির উৎস: ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণে ঘরোয়া বাগানের এই ফ্রেশ কমলা অত্যন্ত কার্যকর।1
কমলা গাছের যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ
১. সূর্যালোক: লেবু জাতীয় গাছের মতো কমলা গাছও প্রচুর রোদ পছন্দ করে। দিনে অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা রোদ পায় এমন স্থানে চারাটি রাখুন।
২. মাটি: জৈব সার (ভার্মিকম্পোস্ট বা হাড়ের গুঁড়ো) মিশ্রিত দোআঁশ মাটি কমলা চাষের জন্য আদর্শ।
৩. পানি: মাটির আর্দ্রতা বুঝে পানি দিন। অতিরিক্ত পানি যেন গোড়ায় জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৪. সার ও যত্ন: ফল আসার মৌসুমে নিয়মিত জৈব সার এবং পটাশ সমৃদ্ধ সার ব্যবহার করলে ফলের আকার ও স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. এটি কত দিনে ফল দেবে?
কলমের চারা হওয়ায় রোপণের ১-২ বছরের মধ্যেই ফুল ও ফল আসতে শুরু করে।
২. এটি কি বাংলাদেশের গরমে টিকে থাকবে?
হ্যাঁ, আমাদের সরবরাহকৃত জাতটি বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী করে তৈরি, তবে প্রচণ্ড গরমে নিয়মিত পানির দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৩. ফলের মিষ্টতা কেমন হবে?
সঠিক সূর্যালোক এবং পটাশিয়াম সমৃদ্ধ সার ব্যবহার করলে আপনি দার্জিলিংয়ের মতোই মিষ্টি কমলা পাবেন।
৪. ডেলিভারি পেতে কতদিন সময় লাগে?
অর্ডার কনফার্ম করার ২-৪ কার্যদিবসের মধ্যে অংকুর (Ongkoor.com) সারা বাংলাদেশে সতেজ চারা হোম ডেলিভারি দেয়।








