Click to WhatsApp Us: 01817-660088

Hibiscus Rosa জবা ফুল গাছ

জবা ফুল (Hibiscus rosa-sinensis) মালভেসি পরিবারের একটি জনপ্রিয় শোভাময় উদ্ভিদ, যা উজ্জ্বল লাল, গোলাপি, সাদা ও হলুদ রঙের আকর্ষণীয় ফুলের জন্য পরিচিত। বাগান সাজানো, ধর্মীয় পূজা, আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি চিকিৎসা এবং প্রসাধনী কাজে জবা ফুলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় আবহাওয়ায় সহজে বেড়ে ওঠা এই চিরহরিৎ গাছ বাড়ির বাগান ও ল্যান্ডস্কেপের সৌন্দর্য বাড়াতে আদর্শ।

নিয়মিত রোদ, পর্যাপ্ত পানি ও সঠিক যত্নে জবা গাছ সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রচুর ফুল দেয়। ঘর, ছাদ বা বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে Ongkoor.com থেকে সারা বাংলাদেশে মানসম্মত জবা গাছ সংগ্রহ করুন।

250.00৳ 

+ ডেলিভারি চার্জ (পণ্যের আকার ও ওজনের উপর নির্ভরশীল) । সর্বনিম্ন ১৫০ টাকা।
- +
Guaranteed Safe Checkout

জবা ফুল Hibiscus rosa-sinensis মালভেসি (Malvaceae) পরিবারের হিবিস্কাস (Hibiscus) গণভুক্ত একটি বহুল পরিচিত সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি চীনা হিবিস্কাস, চায়না রোজ, হাওয়াইয়ান হিবিস্কাস ও রোজ ম্যালো নামেও পরিচিত। ইংরেজিতে সাধারণভাবে একে Hibiscus বলা হয়।

ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে জবা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শোভাময় উদ্ভিদ। উজ্জ্বল লাল, গোলাপি, সাদা, হলুদ ও কমলাসহ বিভিন্ন রঙের আকর্ষণীয় ফুল বাগান ও ল্যান্ডস্কেপের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। আয়ুর্বেদ ও ইউনানি চিকিৎসা, পানীয় প্রস্তুত, প্রসাধনী শিল্প এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও জবা ফুলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। মালয়েশিয়ার জাতীয় ফুল হিসেবেও এটি বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।

জবা ফুল-এর পরিচিতি ও পটভূমি

জবা ফুলের আদি নিবাস পূর্ব এশিয়া (চীন ও ভিয়েতনাম)। আধুনিক উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই ফুলের বৈজ্ঞানিক নামকরণ ও বর্ণনা করেন বিখ্যাত সুইডিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus) ১৭৫৩ সালে। ল্যাটিন শব্দ ‘Rosa-sinensis’ এর অর্থ হলো “চীনের গোলাপ”। প্রাচীনকাল থেকেই এই ফুল ভেষজ চিকিৎসা এবং রূপচর্চার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত।

জবা ফুল মালভেসি (Malvaceae) পরিবারের হিবিস্কাস (Hibiscus) উপজাতির একটি সুপরিচিত সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি চীনা হিবিস্কাস, চায়না রোজ, হাওয়াইয়ান হিবিস্কাস ও রোজ ম্যালো নামেও পরিচিত। সাধারণভাবে ইংরেজিতে এই উদ্ভিদকে Hibiscus নামে ডাকা হয়।

ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে জবা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শোভাময় উদ্ভিদ হিসেবে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। উজ্জ্বল লাল, গোলাপি, সাদা, হলুদসহ নানা আকর্ষণীয় রঙে জবার ফুল পাওয়া যায়। বাগানের শোভাবর্ধন, আয়ুর্বেদ ও ইউনানি চিকিৎসা, পানীয় ও প্রসাধনী তৈরিতে জবা ফুলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতিতেও জবা ফুলের বিশেষ গুরুত্ব বিদ্যমান। মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুল হিসেবেও এটি স্বীকৃত।

উদ্ভিদের বর্ণনা

জবা একটি ঝোপঝাড়জাতীয়, চিরহরিৎ গুল্ম বা ছোট আকৃতির গাছ। এর উচ্চতা সাধারণত ২.৫–৫ মিটার (৮–১৬ ইঞ্চি) এবং প্রস্থ ১.৫–৩ মিটার (৫–১০ ইঞ্চি) পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এই গাছে একটি শাখাযুক্ত প্রধান মূল বিদ্যমান। এর কাণ্ড বায়বীয়, খাড়া, সবুজ, নলাকার ও শাখাযুক্ত। পাতাগুলি চকচকে এবং ফুলগুলি সাধারণত উজ্জ্বল লাল বর্ণের ও পাঁচটি পাপড়িযুক্ত। ফুলের ব্যাস প্রায় ১০ সেন্টিমিটার (৪ ইঞ্চি) এবং গ্রীষ্মকাল ও শরৎকালে ফুল ফোটে।

চাষ ও বৃদ্ধি উপযোগিতা

বাগানের গাছ হিসেবে জবা গ্রীষ্মমণ্ডল ও উপগ্রীষ্মমণ্ডল অঞ্চলে সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। যেহেতু জবা ১০° সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, তাই নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে জবা গাছ সাধারণত গ্রীনহাউসে রাখা হয়।

জবা গাছের বিভিন্ন ধরনের সংকর প্রজাতি রয়েছে, যাদের ফুলের রঙ সাদা, হলুদ, কমলা ইত্যাদি হয়ে থাকে।

নামকরণ ও ভাষাগত পরিচয়

বৈজ্ঞানিক ক্যারলাস লিনেয়াস জবার নামকরণ করেন Hibiscus rosa-sinensis। লাতিন শব্দ rosa sinensis-এর অর্থ “চীন দেশের গোলাপ”, যদিও জবার সঙ্গে গোলাপের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।

চীনে এই গাছটি zhū jǐn (朱槿) নামে পরিচিত। ভারতীয় উপমহাদেশে জবা গাছ বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন— বাংলায় জবা, তামিলে செம்பருத்தி (সেম্বারুথি), হিন্দিতে जवा कुसुम (জবা কুসুম), মালয়লমে ചെമ്പരത്തി (সেম্পারাত্তি) ইত্যাদি।

ব্যবহার ও উপকারিতা

জবা ফুল ভোজ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে সালাদের মধ্যে জবা ফুল যোগ করা হয়। ভারতের কিছু অংশে এটি জুতা চকচকে করতেও ব্যবহৃত হয়, তাই একে “জুতা পরিষ্কারক ফুল” বলা হয়।

ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় এই ফুলকে কেম্বাং সেপাতু বা বুঙ্গা সেপাতু বলা হয়, যার আক্ষরিক অর্থ “জুতার ফুল”।

জবা ফুল পিএইচ সূচক হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। কোনো অ্যাসিডিক দ্রবণে ফুলটি ডুবালে এটি গাঢ় গোলাপি বা ম্যাজেন্টা রঙ ধারণ করে এবং ক্ষারীয় দ্রবণে সবুজ রঙে পরিণত হয়। বেশ কয়েকটি দেশে জবা ফুল শুকিয়ে পানীয়, যেমন চা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

চীনা ভেষজবিজ্ঞানে জবা বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় বলে মনে করা হয়। চীনে ঐতিহ্যগতভাবে জবার ফুলের পাপড়ি দিয়ে কালো জুতা পালিশ এবং মহিলাদের কালো চুলের রঙ প্রস্তুত করা হয়।

এই উদ্ভিদ ও এর ফুল প্রসাধনী শিল্পেও ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ত্বকের যত্নে। উদাহরণস্বরূপ, জবা ফুল থেকে প্রাপ্ত একটি নির্যাস অতিবেগুনি বিকিরণ শোষণ করে একটি অ্যান্টি-সোলার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।

সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব

জবা হলো মালয়েশিয়ার জাতীয় ফুল, যা মালয় ভাষায় বুঙ্গা রায়া নামে পরিচিত। একে “বড় ফুল” বা “উদযাপনকারী ফুল” নামেও ডাকা হয়।

১৯৫৮ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় ইয়লাং ইয়লাং, জুঁই, পদ্ম, গোলাপ, ম্যাগনোলিয়া ও মেডলারের মতো কয়েকটি ফুলের মধ্য থেকে জবাকে জাতীয় ফুল হিসেবে মনোনীত করে। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালের ২৮শে জুলাই মালয়েশিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জবাকে তাদের জাতীয় ফুল হিসেবে ঘোষণা করে।

জবার লাল পাপড়ি মালয়েশিয়ার মানুষের সাহস, জীবন ও দ্রুত অগ্রগতির প্রতীক বহন করে এবং পাঁচটি পাপড়ি মালয়েশিয়ার পাঁচটি রুকুন নেগারা নীতিকে প্রতিনিধিত্ব করে। মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত নোট ও মুদ্রায় এই ফুলের ছাপ দেখা যায়।

হাইতি দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক জাতীয় ফুলও হলো জবা, যেখানে এটি পর্যটন প্রচারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Fusion of Haitian Social Democrats রাজনৈতিক দলের প্রতীকেও জবার চিহ্ন দেখা যায়। হাইতিয়ান ক্রেওল ভাষায় এই ফুল চোব্ল্যাক বা রোজ কেয়েন নামে পরিচিত।

লাল জবা ফুল হিন্দুধর্মে উপাসনার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। বিশেষত দেবী পূজায় এবং পূর্ব ভারত ও বাংলা অঞ্চলে কালীপূজায় লাল জবার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তন্ত্র সাধনাতেও জবা ফুলের একটি বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশে জবা ফুল কোথায় পাবেন?

আপনি কি দেশি, পুনে বা অস্ট্রেলিয়ান ভ্যারাইটির বড় সাইজের জবা খুঁজছেন? অংকুর Ongkoor.com বাংলাদেশে অত্যন্ত আস্থার সাথে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির জবা ফুলের চারা এবং গার্ডেনিং কিট বিক্রি করছে।

আমরা জানি বাংলাদেশের আবহাওয়া জবা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তাই আমরা সরাসরি আমাদের নিজস্ব নার্সারি থেকে কলম করা এবং সুস্থ চারা বাছাই করে সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দিই। ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত—আপনি বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, অংকুর Ongkoor.com থেকে ঘরে বসেই অর্ডার করে পেতে পারেন আপনার পছন্দের জবা গাছ।

এই গাছের জনপ্রিয় স্থানসমূহ

জবা ফুল এর অভিযোজন ক্ষমতার কারণে সবখানেই জনপ্রিয়:

ছাদ বাগান: ড্রাম বা বড় টবে জবা গাছ ছাদ বাগানের মূল আকর্ষণ হয়ে থাকে।
বাড়ির প্রবেশপথ: গেটের দুই পাশে বা সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে লাল জবার সারি আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলে।
মন্দির ও প্রার্থনা কেন্দ্র: ধর্মীয় কাজে ব্যবহারের জন্য অনেক পবিত্র স্থানে জবা চাষ করা হয়।
পার্ক ও সরকারি উদ্যান: বাংলাদেশের বড় বড় পার্কে ল্যান্ডস্কেপিংয়ের জন্য ঝোপালো জবা গাছ ব্যবহার করা হয়।

জবা ফুলের যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ

১. সূর্যালোক: জবা প্রচুর রোদ পছন্দ করে। দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা কড়া রোদে রাখলে ফুলের সংখ্যা ও আকার বৃদ্ধি পায়।
২. মাটি: জৈব সার মিশ্রিত উর্বর দোআঁশ মাটি জবার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
৩. সেচ: গাছের গোড়ার মাটি শুকিয়ে গেলে নিয়মিত পানি দিন। তবে পানি যেন জমে না থাকে।
৪. ছাঁটাই: প্রতি বছর বর্ষার শেষে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঝোপালো হয় এবং নতুন নতুন ডাল থেকে প্রচুর ফুল আসে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. জবা গাছ কি সারা বছর ফুল দেয়?
হ্যাঁ, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় জবা গাছ সারা বছরই ফুল দেয়। তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এর ফলন সবচেয়ে বেশি থাকে।

২. অংকুর Ongkoor.com কি নিরাপদ প্যাকেজিং নিশ্চিত করে?
অবশ্যই। আমরা বিশেষভাবে ডিজাইন করা বক্সে চারা পাঠাই যাতে পরিবহনের সময় গাছের মাটি বা ডালপালা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

৩. জবা গাছের পাতায় সাদা পোকা (Mealybug) হলে কী করব?
এটি জবা গাছের সাধারণ সমস্যা। আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে নিম তেল সংগ্রহ করে স্প্রে করতে পারেন অথবা সাবান পানি স্প্রে করেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৪. অর্ডার করার কতদিন পর ডেলিভারি পাব?
অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর ২-৪ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে সতেজ চারা।

 

Shopping Cart
Hibiscus-RosaHibiscus Rosa জবা ফুল গাছ
250.00৳ 
- +