ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (Magnesium Sulfate) বা ইপসম সল্ট (Epsom Salt) আপনার বাগানের গাছগুলোর জন্য এক জাদুকরী টনিকের মতো কাজ করে। এটি সাধারণ লবণের মতো দেখতে হলেও আসলে এটি ম্যাগনেসিয়াম এবং সালফারের একটি খনিজ যৌগ। আপনি কি লক্ষ্য করেছেন আপনার গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে কিংবা ফুল-ফল আসার আগেই ঝরে পড়ছে? তবে বুঝবেন আপনার গাছের জরুরি ভিত্তিতে ইপসম সল্ট প্রয়োজন। এটি ক্লোরোফিল তৈরিতে সাহায্য করে গাছকে করে তোলে সতেজ ও গাঢ় সবুজ।
ইপসম সল্ট–এর পরিচিতি ও পটভূমি
ইপসম সল্টের ইতিহাস বেশ চমকপ্রদ। ১৬১৮ সালে ইংল্যান্ডের সারে (Surrey) কাউন্টির ইপসম (Epsom) নামক স্থানে একটি খনিজ ঝর্ণা থেকে এটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়। স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন যে এই পানি পান করলে এবং কৃষিকাজে ব্যবহার করলে চমৎকার ফল পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ রসায়নবিদ উইলিয়াম হেনরি (William Henry) এর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর গবেষণার পর থেকেই এটি চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং কৃষি দুনিয়ায় অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (ইপসম সল্ট) কোথায় পাবেন?
আপনি কি ভেজালমুক্ত এবং কৃষি গ্রেডের বিশুদ্ধ ইপসম সল্ট খুঁজছেন? অংকুর (Ongkoor.com) বাংলাদেশে অত্যন্ত সুনামের সাথে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা ইপসম সল্ট সরবরাহ করছে। বাজারের সাধারণ লবণের মিশ্রণযুক্ত পণ্য থেকে সাবধান থাকতে আমরা সরাসরি ল্যাবে পরীক্ষিত ও উচ্চমানের ইপসম সল্ট আমাদের গ্রাহকদের জন্য নিশ্চিত করি। ঢাকা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে ঘরে বসেই আপনি অংকুর (Ongkoor.com) থেকে আপনার শখের বাগানের জন্য এই পণ্যটি অর্ডার করতে পারেন।
এই পণ্যের জনপ্রিয় ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ
ইপসম সল্ট বহুমুখী গুণের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনপ্রিয়:
- ছাদ বাগান (Roof Garden): টবের গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব পূরণে এটি প্রথম পছন্দ।
- গোলাপ ও মরিচ চাষ: গোলাপের আকার বড় করতে এবং মরিচ গাছের পাতা কোঁকড়ানো রোধে এটি জাদুকরী ভূমিকা রাখে।
- সবজি বাগান: টমেটো এবং বেগুনের ফলন বাড়াতে বাণিজ্যিক খামারিরা এটি নিয়মিত ব্যবহার করেন।
- স্পা ও থেরাপি: গাছ ছাড়াও পেশির ব্যথা উপশম এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য এটি বাথ সল্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
ইপসম সল্ট ব্যবহারের উপকারিতা ও নিয়ম
১. পাতা সবুজ করা: ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে, ফলে পাতা হয় উজ্জ্বল সবুজ।
২. পুষ্টি শোষণ: এটি গাছকে মাটি থেকে নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সহজে গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
৩. ব্যবহার বিধি: ১ লিটার পানিতে ১ চা চামচ ইপসম সল্ট মিশিয়ে ১৫ দিনে একবার গাছে স্প্রে করুন অথবা সরাসরি গাছের গোড়ার মাটিতে ছিটিয়ে দিয়ে পানি দিন।
৪. বীজ অঙ্কুরোদগম: চারা লাগানোর সময় অল্প ইপসম সল্ট ব্যবহার করলে শিকড় দ্রুত গজায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. এটি কি সাধারণ খাওয়ার লবণের মতো?
না, এটি রাসায়নিকভাবে একদম আলাদা। সাধারণ লবণে সোডিয়াম থাকে যা গাছের ক্ষতি করতে পারে, কিন্তু ইপসম সল্ট গাছের পরম বন্ধু।
২. অংকুর (Ongkoor.com) থেকে আমি কি বিশুদ্ধ পণ্য পাব?
অবশ্যই। আমাদের ইপসম সল্ট ১০০% কৃষি গ্রেডের এবং ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মুক্ত।
৩. সব গাছে কি এটি ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ, সব ধরণের ফুল, ফল এবং সবজি গাছে এটি ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে লেবু, মরিচ এবং গোলাপ গাছে এর ফলাফল দ্রুত পাওয়া যায়।
৪. অর্ডার করার কতদিন পর ডেলিভারি পাব?
অংকুর (Ongkoor.com) সাধারণত ২-৪ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে হোম ডেলিভারি নিশ্চিত করে।




