Mustard Oil Cake সরিষার খৈল হলো আপনার বাগানের গাছের জন্য একটি শক্তিশালী ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পুষ্টির আধার। সরিষার দানা থেকে তেল নিষ্কাশনের পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে, তাকেই আমরা খৈল বলি। নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস হওয়ায় এটি গাছের দ্রুত বৃদ্ধি এবং অধিক ফুল-ফল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সরিষার খৈল–এর পরিচিতি ও পটভূমি
সরিষার খৈল ব্যবহারের ইতিহাস দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিব্যবস্থার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই প্রাকৃতিক সারটির গুরুত্ব এবং কার্যকারিতা নিয়ে আধুনিক কৃষি বিজ্ঞানে অনেক গবেষণা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA)-এর বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, সরিষার খৈল মাটির গঠন উন্নত করতে এবং উপকারী জীবাণুর সংখ্যা বাড়াতে অনন্য ভূমিকা পালন করে। এটি একটি আদর্শ “অর্গানিক কন্ডিশনার” হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
বাংলাদেশে সরিষার খৈল কোথায় পাবেন?
আপনি কি ভেজালমুক্ত এবং দুর্গন্ধহীন উন্নত মানের সরিষার খৈল খুঁজছেন? অংকুর (Ongkoor.com) বাংলাদেশে অত্যন্ত আস্থার সাথে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সরিষার খৈল সরবরাহ করছে। বাজারে অনেক সময় ধানের কুঁড়া বা বালি মিশ্রিত নিম্নমানের খৈল পাওয়া যায় যা গাছের উপকারের বদলে ক্ষতি করতে পারে। তাই অংকুর (Ongkoor.com) সরাসরি সেরা মানের ঘানি ভাঙ্গা সরিষার খৈল বাছাই করে সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেয়। ঢাকা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের যেকোনো গ্রাম বা শহর থেকে আপনি ঘরে বসেই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এটি অর্ডার করতে পারেন।
এই পণ্যের জনপ্রিয় ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ
সরিষার খৈল এর বহুমুখী কার্যকারিতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় অত্যন্ত জনপ্রিয়:
- ছাদ বাগান ও টব: টবের মাটির উর্বরতা বাড়াতে এবং জৈব উপাদানের অভাব মেটাতে এটি প্রধান পছন্দ।
- নার্সারি: নতুন চারা গাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও কান্ড মজবুত করতে নার্সারি মালিকরা এটি নিয়মিত ব্যবহার করেন।
- সবজি চাষ: টমেটো, মরিচ ও বেগুন গাছের জন্য এটি একটি শ্রেষ্ঠ লিকুইড ফার্টিলাইজার হিসেবে কাজ করে।
- মৎস্য খামার: অনেক ক্ষেত্রে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য ও পুকুরের পানির গুণমান বাড়াতেও সরিষার খৈল ব্যবহৃত হয়।
সরিষার খৈল ব্যবহারের উপকারিতা ও নিয়ম
১. প্রাকৃতিক পুষ্টি: এটি নাইট্রোজেনের চমৎকার উৎস, যা গাছকে সতেজ ও গাঢ় সবুজ রাখে।
২. পোকামাকড় দমন: এর বিশেষ গন্ধ মাটির ক্ষতিকর পোকামাকড় ও নেমাটোড দূরে রাখতে সাহায্য করে।
৩. তরল সার তৈরি: ১ কেজি খৈল ১০ লিটার পানিতে ৪-৫ দিন ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সেই পানি আরও পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।
৪. সরাসরি প্রয়োগ: গুঁড়ো খৈল মাটির সাথে মিশিয়েও সরাসরি ব্যবহার করা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. সরিষার খৈল কি সব ঋতুতে ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ, তবে গ্রীষ্মকালে এটি লিকুইড আকারে ব্যবহার করা বেশি কার্যকর। বর্ষাকালে সরাসরি গুড়ো খৈল মাটির সাথে মেশানো ভালো।
২. অংকুর (Ongkoor.com) থেকে আমি কি বিশুদ্ধ খৈল পাব?
অবশ্যই। আমরা ১০০% খাঁটি ঘানি ভাঙ্গা সরিষার খৈল সরবরাহ করি যা ধুলোবালি ও ভেজালমুক্ত।
৩. ব্যবহারের পর কি কোনো গন্ধ হয়?
ভিজিয়ে রাখা খৈল ব্যবহারের সময় সামান্য প্রাকৃতিক গন্ধ হতে পারে, তবে কয়েক ঘণ্টা পরেই তা চলে যায়।
৪. ডেলিভারি পেতে কতদিন সময় লাগে?
অংকুর (Ongkoor.com) সাধারণত ২-৪ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে হোম ডেলিভারি নিশ্চিত করে।




